শত শত দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শুরু হয়েছে পঞ্চমবারের মতো ‘ইমাম আবু হানিফা (রহ.) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা’। আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রে আয়োজিত সাত দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে অর্ধেকেরও বেশি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, মেলায় প্রায় ৭০০টি স্টলে বৈচিত্র্যময় পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে।
বুধবার আয়োজিত মেলার জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আফগানিস্তানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব এবং কাবুলে নিয়োজিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কাবুলের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতির চিত্রই ফুটিয়ে তুলছে এই আয়োজন।
সাত দিনব্যাপী এই বাণিজ্য মেলায় খাদ্যপণ্য, ওষুধ, দুগ্ধজাত সামগ্রী, নির্মাণসামগ্রী, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী আফগান কার্পেট, প্লাস্টিক ও লোহাজাত পণ্যের পাশাপাশি তাজা ও শুকনো ফল এবং হরেক রকমের কৃষি পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে।
প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে তালেবান প্রশাসনের অর্থনৈতিক বিষয়াবলি সম্পর্কিত উপ-প্রধানমন্ত্রী আবদুল গনি বারাদার বলেন, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরা, দেশীয় শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা।
আবদুল গনি বারাদার আরও জানান, এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী স্থানীয় উদ্যোক্তা ও উৎপাদনকারীদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ীদের সরাসরি সংযোগ ঘটাতে ভূমিকা রাখবে। এ ছাড়া বেসরকারি খাতের বিকাশ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বর্তমান প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বক্তব্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও ট্রানজিট সুবিধা সম্প্রসারণের তাগিদ দেন গনি বারাদার। তিনি ‘ওয়াখান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য করিডোর’-এর গুরুত্ব উল্লেখ করে বলেন, এই পথটি ব্যবহৃত হলে চীনের সঙ্গে ইউরোপীয় বাজারের এক সংক্ষিপ্ত এবং কার্যকর বাণিজ্য সংযোগ তৈরি হবে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে আফগানিস্তান।
Reporter Name 


















