Dhaka ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মুনাফেকি করেছে বিএনপি : জুনায়েদ আল হাবিব ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা বণ্টনে ইনসাফসহ ১০ প্রস্তাব জমিয়তের ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি সংকট নিরসনসহ ১০ দফা প্রস্তাব জমিয়তের শুরা অধিবেশনে ‘বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার দায়ে পুরো মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে দোষী করা অনৈতিক’ লিবিয়ায় কারাগারে ফরিদপুরের ২৪ তরুণ, তিন বছর ধরে নিখোঁজ ভারতের ১৫০ বছরের প্রাচীন মসজিদ ধ্বংসের ইস্যু জাতিসংঘে তুললেন পাক প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স নীতিতে বিএনপির হাইকমান্ড রাজনৈতিক পরিচয়ে বৈষম্য নয়, ৪৯ বিসিএসের ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন

  • নিউজ ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৯ Time View

প্রতীকী ছবি

দেশের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে। এর মাধ্যমে তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে করা এবং বাল্যবিবাহ দেওয়া রোধ করা যাবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর নিকেতনে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের জন্য ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি’ শীর্ষক ১০ দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা জানান।

একই সঙ্গে বিবাহ নিবন্ধনের এই অনলাইন তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশের সব কাজীকে পর্যায়ক্রমে এই ডিজিটাল নিবন্ধনের আওতায় আনতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’

একই সঙ্গে ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রারদের দীর্ঘদিনের প্রভাব ভাঙতে শিগগিরই লটারির মাধ্যমে পদায়ন শুরু হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য এনআইডি ও পাসপোর্টের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে এসব তথ্য সংযুক্ত হলে একজন ব্যক্তির বিভিন্ন তথ্য একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব হবে।

আইনমন্ত্রী বলেছেন, অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য ব্যবহারের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ প্রতিরোধে সহায়তা পাওয়া যাবে। কোনো ব্যক্তি এক জায়গায় বিয়ে করার পর তথ্য গোপন করে অন্য জায়গায় আবার বিয়ে করতে গেলে অনলাইনে তার আগের তথ্য দেখা যাবে। তখন পূর্ববর্তী স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া ওই ব্যক্তির আরেকটি বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হবে। অনলাইনে বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য থাকলে ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী বা সন্তানদের পক্ষ থেকে একাধিক দাবি উঠলেও নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হবে।

এতে এ ধরনের দাবি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমার সুযোগ কমবে এবং রাষ্ট্রের ওপরও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

About Author Information

Popular Post

মুনাফেকি করেছে বিএনপি : জুনায়েদ আল হাবিব

ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন

Update Time : ০৯:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

দেশের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে। এর মাধ্যমে তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে করা এবং বাল্যবিবাহ দেওয়া রোধ করা যাবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর নিকেতনে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের জন্য ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি’ শীর্ষক ১০ দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা জানান।

একই সঙ্গে বিবাহ নিবন্ধনের এই অনলাইন তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশের সব কাজীকে পর্যায়ক্রমে এই ডিজিটাল নিবন্ধনের আওতায় আনতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’

একই সঙ্গে ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রারদের দীর্ঘদিনের প্রভাব ভাঙতে শিগগিরই লটারির মাধ্যমে পদায়ন শুরু হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য এনআইডি ও পাসপোর্টের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে এসব তথ্য সংযুক্ত হলে একজন ব্যক্তির বিভিন্ন তথ্য একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব হবে।

আইনমন্ত্রী বলেছেন, অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের তথ্য ব্যবহারের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ প্রতিরোধে সহায়তা পাওয়া যাবে। কোনো ব্যক্তি এক জায়গায় বিয়ে করার পর তথ্য গোপন করে অন্য জায়গায় আবার বিয়ে করতে গেলে অনলাইনে তার আগের তথ্য দেখা যাবে। তখন পূর্ববর্তী স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া ওই ব্যক্তির আরেকটি বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হবে। অনলাইনে বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য থাকলে ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী বা সন্তানদের পক্ষ থেকে একাধিক দাবি উঠলেও নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হবে।

এতে এ ধরনের দাবি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমার সুযোগ কমবে এবং রাষ্ট্রের ওপরও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।