Dhaka ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ভারতের নদওয়াতুল উলামার মুহতামিমের ইন্তেকালে হেফাজত মহাসচিবের শোক প্রখ্যাত আলেম সাঈদুর রহমান আজমি নদভীর ইন্তেকাল হজ ব্যবস্থাপনায় বড় প্রস্তুতি, ৭৮ দেশের সঙ্গে সৌদির বৈঠক সরকার রপ্তানিমুখী বাণিজ্যের বারোটা বাজিয়েছে : মামুনুল হক খতিব মুফতি আব্দুল মালেক আমার ইলমি অস্তিত্বের বুনিয়াদ: মাওলানা মামুনুল হক ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির কর্তৃপক্ষের সাথে আইএবির মতবিনিময় ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে ইসলামাবাদ অভিমুখে জনতার ‘সুনামি’ কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ বাবরি মসজিদ নির্মাণের মূল উদ্যোক্তা হুমায়ুন কবির গ্রেপ্তার কে এই শরিফুল, কেন বারবার পালান আদালত থেকে

কে এই শরিফুল, কেন বারবার পালান আদালত থেকে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ Time View

ঢাকার আদালতকক্ষ থেকে আবারও পালিয়ে গেছেন চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম শফিক। গত বছর এক পুলিশ সদস্যকে কামড় দিয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালানোর পর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন তিনি। সেই ঘটনার মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে এসেই এবার এজলাসের ডক থেকে হাতকড়া খুলে কৌশলে পালিয়ে গেছেন এই দুর্ধর্ষ আসামি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালত থেকে শরিফুল পালিয়ে যান বলে নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।

কে এই আসামি শরিফুল?

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলামের বাড়ি দিনাজপুরে। তার বাবার নাম শফিক আহমেদ। ২০১৮ সালে রাজধানীর খিলগাঁও থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি তিনি। ওই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে টানা ছয় বছর ধরে তিনি কারাগারে ছিলেন।

কেন ও কীভাবে বারবার পালান তিনি?

দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকা এই আসামি আদালতে আনা-নেওয়ার নিরাপত্তার ফাঁকফোকর ব্যবহার করে বারবার গাঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন। প্রথমবার ২০২৫ সালের ১৯ জুন খিলগাঁও থানার হত্যা মামলায় হাজিরার জন্য শরিফুলকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। সেদিন হাজতখানায় নেওয়ার পথে কনস্টেবলসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের এক সদস্যকে সজোরে কামড় দিয়ে সুযোগ বুঝে পালিয়ে যান তিনি।

সেই চাঞ্চল্যকর পালানোর ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।

মঙ্গলবার কোতোয়ালি থানার সেই পালানোর মামলাতেই সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন কনস্টেবল আবদুল আলিম। কিন্তু হাতের হাতকড়া এজলাসের ডকের সাথে বাধা থাকা সত্ত্বেও নিখুঁত কৌশলে তা খুলে ফের উধাও হয়ে যান তিনি।

ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করা হবে। আসামি শরিফুলকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে।

About Author Information

hsnalmahmud

ভারতের নদওয়াতুল উলামার মুহতামিমের ইন্তেকালে হেফাজত মহাসচিবের শোক

কে এই শরিফুল, কেন বারবার পালান আদালত থেকে

Update Time : ০৫:১৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকার আদালতকক্ষ থেকে আবারও পালিয়ে গেছেন চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম শফিক। গত বছর এক পুলিশ সদস্যকে কামড় দিয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালানোর পর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন তিনি। সেই ঘটনার মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে এসেই এবার এজলাসের ডক থেকে হাতকড়া খুলে কৌশলে পালিয়ে গেছেন এই দুর্ধর্ষ আসামি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালত থেকে শরিফুল পালিয়ে যান বলে নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল।

কে এই আসামি শরিফুল?

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলামের বাড়ি দিনাজপুরে। তার বাবার নাম শফিক আহমেদ। ২০১৮ সালে রাজধানীর খিলগাঁও থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি তিনি। ওই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে টানা ছয় বছর ধরে তিনি কারাগারে ছিলেন।

কেন ও কীভাবে বারবার পালান তিনি?

দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকা এই আসামি আদালতে আনা-নেওয়ার নিরাপত্তার ফাঁকফোকর ব্যবহার করে বারবার গাঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন। প্রথমবার ২০২৫ সালের ১৯ জুন খিলগাঁও থানার হত্যা মামলায় হাজিরার জন্য শরিফুলকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। সেদিন হাজতখানায় নেওয়ার পথে কনস্টেবলসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের এক সদস্যকে সজোরে কামড় দিয়ে সুযোগ বুঝে পালিয়ে যান তিনি।

সেই চাঞ্চল্যকর পালানোর ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।

মঙ্গলবার কোতোয়ালি থানার সেই পালানোর মামলাতেই সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন কনস্টেবল আবদুল আলিম। কিন্তু হাতের হাতকড়া এজলাসের ডকের সাথে বাধা থাকা সত্ত্বেও নিখুঁত কৌশলে তা খুলে ফের উধাও হয়ে যান তিনি।

ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করা হবে। আসামি শরিফুলকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে।