Dhaka ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
জামাই-শাশুড়িকে নিয়ে ‍মিথ্যা ভিডিও ছড়ানোয় জড়িতদের শাস্তি চায় হাইয়াতুল উলয়া কুমিল্লার শীর্ষ আলেম আল্লামা নুরুল হকের জানাযায় লাখো মানুষের ঢল ডেঙ্গু প্রতিরোধে জুমার খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্য দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আরো ৩০৫ জন সহকারী নেগরান ও মুমতাহিন নিয়োগ দেবে আল-হাইআতুল উলয়া সৌদিতে নিহতদের ক্ষতিপূরণ ও লাশ আনতে কূটনৈতিক পদক্ষেপ চায় হেফাজত ভারতে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ায় মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার বিশ্ব ইজতেমার সুশৃঙ্খল আয়োজন ও বিচার দাবিতে ওলামা মাশায়েখের ৫ দাবি ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে পবিত্র রমজান ভারতে গণগ্রেপ্তারের ঢেউ, সাবেক ৪ মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক ৩০০০ মক্কা-মদিনায় আক্রমণ হলে বাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

‘ধর্ম প্রতিমন্ত্রী’ নিয়োগ নিয়ে হেফাজতে ইসলামের আপত্তি, যা বললেন শামীম কায়সার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিয়োগ নিয়ে হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন মহলের প্রশ্ন ও সমালোচনার বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার আশ্বাস দিয়েছেন নতুন নিয়োগ পাওয়া ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার।

রোববার (২৩ আগস্ট) দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিয়োগ নিয়ে হেফাজতে ইসলামের নেতাদের প্রশ্ন তোলা প্রসঙ্গে শামীম কায়সার বলেন, ‘আমি গতকালও আমাদের জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা গিয়েছি, মুহতারাম মুনির কাসেমী হাফিজাহুল্লাহর সাথে এবং আপনারা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের অনেক শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামদের সাথে কথা বলেছি। আলহামদুলিল্লাহ, অনেক সময় হয় কি দেখুন, আমরা নির্বাচনে যে যাই, একটা দলকে তো আপনার ১০০ শতাংশ মানুষকে ভোট দেয়? তা না। পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে। তেমনিভাবে কোনো একটা অ্যাপয়েন্টমেন্টকে ১০০ শতাংশ মানুষ পছন্দ করবে, বিষয়টা এরকমও না।’

তিনি বলেন, ‘আবার অনেক সময় হয় কি যে যোগাযোগের, মানে আমি তো আসলে এই মিনিস্ট্রিতে এমন না যে আগে আমি কাজ করেছি বা এই মিনিস্ট্রি রিলেটেড কাজ আমি করেছি, এ কারণে ওলামায়ে কেরাম, ওলামা-মাশায়েখ, হাফিজাহুল্লাহ, তাদের সাথে যোগাযোগ কথাবার্তা যত বেশি হবে ইনশাল্লাহ, যদি কোথাও কোনো মানে ভুল বোঝাবুঝি থাকে, সেগুলো নিরসন হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। আমি জিনিসটাকে এভাবেই দেখি।’

কিছু তথ্য খণ্ডিতভাবে পৌঁছালে তা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা হতে পারে উল্লেখ করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আরেকটা ব্যাপার হলো যে, অনেক সময় থাকে যে সেম থিং, একই কথা যদি সরাসরি ক্লিয়ার করা সম্ভব না হয় অথবা কোনো বিটস অ্যান্ড পিসেস অফ ইনফরমেশন যায়, তাহলে সেম থিং মানে অন্যভাবে ইন্টারপ্রেট হয়ে যেতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘সেরকম কোনো কনফিউশন যদি থাকে, যেমন গতকালও যখন আমি বসেছি, উনাদের মুহতারামগণের কিছু কোশ্চেনস ছিল। কোশ্চেনসগুলো আমি তাদের… আই বিলিভ যে আমি স্যাটিসফ্যাক্টরি আনসার করতে পেরেছি এবং উনারাও আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন।’

ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে আরও যোগাযোগ করার কথা জানিয়ে শামীম কায়সার বলেন, ‘আমি ইনশাল্লাহ বাংলাদেশের প্রতীতযশা ওলামায়ে কেরাম যারা আছেন, বিভিন্ন মতের যারা আছেন, সেটার সহাবস্থান নিয়েই বাংলাদেশে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ধর্মীয় মূল্যবোধগুলো এখানে ওয়ার্ক করে। শুধু ইসলাম ধর্ম না, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীও যারা মানে নেতৃবৃন্দ আছেন এবং যারা আপনার ধর্মীয় গুরু আছেন, তাদের কাছেও আসলে যাওয়াটা আমারই জিম্মাদারি।’

তিনি বলেন, ‘তো সেই হিসাবে যখনই উনারা… মানে আমারই যাওয়া দরকার, সেই যাওয়াটা হয়তো আরও আগে গেলে ভালো হতো, এই টুকটাক যেগুলো কনফিউশন থাকে সেটা দূর হয়ে যেত। তো ইনশাল্লাহ আমি উনাদের কাছে সবার কাছেই যাব এবং গিয়ে কথা বলে আশা করি ইনশাল্লাহ ওই কনফিউশনটা দূর হয়ে যাবে, এটাই বলে আমি আশা করছি, জি।’

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বকে প্রশাসনিক কাজ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেখুন, এটা একটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ওয়ার্ক। আমাদের ভিশন এবং মিশনকে আপহোল্ড করে যা যা করার, সেগুলো আমরা করব। আর এখানে আপনার সবার আগে বাংলাদেশ সবার জন্য বাংলাদেশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বলুন বা সামাজিক মূল্যবোধের প্রেক্ষাপট বলুন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটা অনেক বড়, যদিও মিনিস্ট্রির বাজেট বা আকার ওই হিসাবে অত বড় না হলেও ইমপ্যাক্ট এবং সোসাইটাল ভ্যালু ইমপ্যাক্ট অনেক বেশি।’

নিয়োগ নিয়ে কারও ব্যক্তিগত প্রশ্ন বা কনফিউশন থাকলে আলোচনার মাধ্যমে তা পরিষ্কার করা সম্ভব জানিয়ে শামীম কায়সার বলেন, ‘তো সেক্ষেত্রে আমাদের এখানে আসলে সম্ভবত অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে যেটা আপনি কোশ্চেন করলেন, সেটা তো আপনি ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো মানে জানার ইচ্ছা থাকতে পারে বা কনফিউশন থাকতে পারে, সেগুলো কথাবার্তা বললে কাছে গেলেই সে পরিষ্কার হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ এবং সেগুলো হচ্ছেও।’

মন্ত্রণালয়ের কোনো কাজে স্থবিরতা, ব্যাকলগ বা প্রশাসনিক জটিলতা থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে যদি কোনো কিছু স্ট্যাগন্যান্ট হয়ে থাকে, কোনো কিছু ব্যাকলগ হয়ে থাকে বা বোটলনেক হয়ে থাকে আমাদের এখানে অ‌্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বা যেকোনো কাজের ডেভেলপমেন্ট বা যেকোনো কাজে আমাদের এই মন্ত্রণালয়ের, সেটার জন্য আমরা অতি দ্রুত সেগুলোর ব্যাপারে আমরা মেজার্স নিব ইনশাল্লাহ। এটিই আমাদের মেসেজ।’

সব ধর্ম ও মতের মানুষের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কথা বলা ও কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা থাকবে বলে জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সকল ধর্মের এবং মতের ভেতর থেকে যেমন তারা তাদের স্পেস থেকে কথা বলতে পারে, সেটার ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা এবং সহযোগিতা থাকবে এবং এটা আসলে একা করা সম্ভব না।’

শামীম কায়সার বলেন, ‘বাংলাদেশ যেহেতু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ এবং ধর্মপ্রাণ মানুষের দেশ, যে যে ধর্মেরই বিশ্বাসের হয়ে থাকুন, আমরা আশা করব সকলের সহযোগিতা নিয়ে এ দেশ ও জাতি গঠনে এই মন্ত্রণালয়ের ভিশন-মিশনকে আমরা আপহোল্ড করার জন্য সকলের সহযোগিতা চাই।’

About Author Information

hsnalmahmud

জামাই-শাশুড়িকে নিয়ে ‍মিথ্যা ভিডিও ছড়ানোয় জড়িতদের শাস্তি চায় হাইয়াতুল উলয়া

‘ধর্ম প্রতিমন্ত্রী’ নিয়োগ নিয়ে হেফাজতে ইসলামের আপত্তি, যা বললেন শামীম কায়সার

Update Time : ০৩:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিয়োগ নিয়ে হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন মহলের প্রশ্ন ও সমালোচনার বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার আশ্বাস দিয়েছেন নতুন নিয়োগ পাওয়া ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার।

রোববার (২৩ আগস্ট) দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিয়োগ নিয়ে হেফাজতে ইসলামের নেতাদের প্রশ্ন তোলা প্রসঙ্গে শামীম কায়সার বলেন, ‘আমি গতকালও আমাদের জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা গিয়েছি, মুহতারাম মুনির কাসেমী হাফিজাহুল্লাহর সাথে এবং আপনারা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের অনেক শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামদের সাথে কথা বলেছি। আলহামদুলিল্লাহ, অনেক সময় হয় কি দেখুন, আমরা নির্বাচনে যে যাই, একটা দলকে তো আপনার ১০০ শতাংশ মানুষকে ভোট দেয়? তা না। পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে। তেমনিভাবে কোনো একটা অ্যাপয়েন্টমেন্টকে ১০০ শতাংশ মানুষ পছন্দ করবে, বিষয়টা এরকমও না।’

তিনি বলেন, ‘আবার অনেক সময় হয় কি যে যোগাযোগের, মানে আমি তো আসলে এই মিনিস্ট্রিতে এমন না যে আগে আমি কাজ করেছি বা এই মিনিস্ট্রি রিলেটেড কাজ আমি করেছি, এ কারণে ওলামায়ে কেরাম, ওলামা-মাশায়েখ, হাফিজাহুল্লাহ, তাদের সাথে যোগাযোগ কথাবার্তা যত বেশি হবে ইনশাল্লাহ, যদি কোথাও কোনো মানে ভুল বোঝাবুঝি থাকে, সেগুলো নিরসন হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। আমি জিনিসটাকে এভাবেই দেখি।’

কিছু তথ্য খণ্ডিতভাবে পৌঁছালে তা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা হতে পারে উল্লেখ করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আরেকটা ব্যাপার হলো যে, অনেক সময় থাকে যে সেম থিং, একই কথা যদি সরাসরি ক্লিয়ার করা সম্ভব না হয় অথবা কোনো বিটস অ্যান্ড পিসেস অফ ইনফরমেশন যায়, তাহলে সেম থিং মানে অন্যভাবে ইন্টারপ্রেট হয়ে যেতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘সেরকম কোনো কনফিউশন যদি থাকে, যেমন গতকালও যখন আমি বসেছি, উনাদের মুহতারামগণের কিছু কোশ্চেনস ছিল। কোশ্চেনসগুলো আমি তাদের… আই বিলিভ যে আমি স্যাটিসফ্যাক্টরি আনসার করতে পেরেছি এবং উনারাও আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন।’

ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে আরও যোগাযোগ করার কথা জানিয়ে শামীম কায়সার বলেন, ‘আমি ইনশাল্লাহ বাংলাদেশের প্রতীতযশা ওলামায়ে কেরাম যারা আছেন, বিভিন্ন মতের যারা আছেন, সেটার সহাবস্থান নিয়েই বাংলাদেশে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ধর্মীয় মূল্যবোধগুলো এখানে ওয়ার্ক করে। শুধু ইসলাম ধর্ম না, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীও যারা মানে নেতৃবৃন্দ আছেন এবং যারা আপনার ধর্মীয় গুরু আছেন, তাদের কাছেও আসলে যাওয়াটা আমারই জিম্মাদারি।’

তিনি বলেন, ‘তো সেই হিসাবে যখনই উনারা… মানে আমারই যাওয়া দরকার, সেই যাওয়াটা হয়তো আরও আগে গেলে ভালো হতো, এই টুকটাক যেগুলো কনফিউশন থাকে সেটা দূর হয়ে যেত। তো ইনশাল্লাহ আমি উনাদের কাছে সবার কাছেই যাব এবং গিয়ে কথা বলে আশা করি ইনশাল্লাহ ওই কনফিউশনটা দূর হয়ে যাবে, এটাই বলে আমি আশা করছি, জি।’

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বকে প্রশাসনিক কাজ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেখুন, এটা একটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ওয়ার্ক। আমাদের ভিশন এবং মিশনকে আপহোল্ড করে যা যা করার, সেগুলো আমরা করব। আর এখানে আপনার সবার আগে বাংলাদেশ সবার জন্য বাংলাদেশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বলুন বা সামাজিক মূল্যবোধের প্রেক্ষাপট বলুন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটা অনেক বড়, যদিও মিনিস্ট্রির বাজেট বা আকার ওই হিসাবে অত বড় না হলেও ইমপ্যাক্ট এবং সোসাইটাল ভ্যালু ইমপ্যাক্ট অনেক বেশি।’

নিয়োগ নিয়ে কারও ব্যক্তিগত প্রশ্ন বা কনফিউশন থাকলে আলোচনার মাধ্যমে তা পরিষ্কার করা সম্ভব জানিয়ে শামীম কায়সার বলেন, ‘তো সেক্ষেত্রে আমাদের এখানে আসলে সম্ভবত অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে যেটা আপনি কোশ্চেন করলেন, সেটা তো আপনি ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো মানে জানার ইচ্ছা থাকতে পারে বা কনফিউশন থাকতে পারে, সেগুলো কথাবার্তা বললে কাছে গেলেই সে পরিষ্কার হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ এবং সেগুলো হচ্ছেও।’

মন্ত্রণালয়ের কোনো কাজে স্থবিরতা, ব্যাকলগ বা প্রশাসনিক জটিলতা থাকলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে যদি কোনো কিছু স্ট্যাগন্যান্ট হয়ে থাকে, কোনো কিছু ব্যাকলগ হয়ে থাকে বা বোটলনেক হয়ে থাকে আমাদের এখানে অ‌্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বা যেকোনো কাজের ডেভেলপমেন্ট বা যেকোনো কাজে আমাদের এই মন্ত্রণালয়ের, সেটার জন্য আমরা অতি দ্রুত সেগুলোর ব্যাপারে আমরা মেজার্স নিব ইনশাল্লাহ। এটিই আমাদের মেসেজ।’

সব ধর্ম ও মতের মানুষের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কথা বলা ও কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা থাকবে বলে জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সকল ধর্মের এবং মতের ভেতর থেকে যেমন তারা তাদের স্পেস থেকে কথা বলতে পারে, সেটার ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা এবং সহযোগিতা থাকবে এবং এটা আসলে একা করা সম্ভব না।’

শামীম কায়সার বলেন, ‘বাংলাদেশ যেহেতু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ এবং ধর্মপ্রাণ মানুষের দেশ, যে যে ধর্মেরই বিশ্বাসের হয়ে থাকুন, আমরা আশা করব সকলের সহযোগিতা নিয়ে এ দেশ ও জাতি গঠনে এই মন্ত্রণালয়ের ভিশন-মিশনকে আমরা আপহোল্ড করার জন্য সকলের সহযোগিতা চাই।’