গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী বক্তা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। তিনি এই সিদ্ধান্তকে দেশের সিংহভাগ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির পরিপন্থী বলে দাবি করেন।
সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেন, ‘শামীম কায়সার লিংকন নামে এক সালাফি বা লামাজহাবি, গাইবান্ধার পার্লামেন্ট মেম্বারকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। এটি এ দেশের মানুষ ভালো চোখে দেখেনি।’
সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘সরকার কার খপ্পরে পড়ে এ কাজটা করলো আমার বুঝে আসছে না। যেখানে এ দেশের আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতসহ সকলে সরকারকে সমর্থন দিলো বলেই তারা ক্ষমতায় আসতে পেরেছে। সেখানে লামাজহাবি সম্প্রদায়কে মনোরঞ্জন করতে গিয়ে মূলধারার আলেমদের খেপিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী পদে এমন একজনকে বসানো হলো।’
তিনি দাবি করেন, সরকারের ভেতরে থাকা একটি চক্র সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য এই কাজ করেছে। লামাজহাবি গোষ্ঠীকে ‘সম্প্রদায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আব্বাসী বলেন, তারা নিজেদের হানাফি, শাফেয়ি বা মালেকি পরিচয়ের বাইরে আলাদা সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যা বিভ্রান্তিকর।
এ সময় সাবেক বিএনপি সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময় সালাফি ভাবধারার প্রসারের কারণে মূলধারার সুন্নি ও আলেমদের সঙ্গে দ্বন্দ তৈরি হয়েছিল। তার খেসারত দিতে হয়েছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত আলেম সমাজ ও সরকারের সম্পর্কের মাঝে ফাটল তৈরি করেছে। এই ছিদ্র অবিলম্বে বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে।’
Reporter Name 














