ধর্ম মন্ত্রণালয়ে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকনের নিয়োগ নিয়ে তীব্র আপত্তি ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বাবুনগর মাদরাসায় সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত রোববার (২৩ আগস্ট) হেফাজতের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংগঠনের নায়েবে আমীর ও মধুপুরের পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল হামীদসহ অন্য শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বৈঠকের বিষয়টি আইডিয়াল টাইমসকে নিশ্চিত করেন মধুপুরী পীর সাহেবের ছেলে মাওলানা আবু আম্মার আব্দুল্লাহ।
বৈঠকে অংশ নেওয়া শীর্ষ নেতারা প্রশ্ন তোলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণ মন্ত্রী বহাল থাকা সত্ত্বেও নতুন করে প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের যৌক্তিকতা কী। একইসঙ্গে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ভাবাদর্শ এবং অতীতে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে সভায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বৈঠকে বলেন, ‘বর্তমান বাস্তবতায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনোভাবেই সমীচীন হয়নি।’
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে সংক্ষুব্ধ আলেমসমাজ সরাসরি দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান এবং নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল হামীদ (পীর সাহেব মধুপুর)-এর যৌথ নেতৃত্বে বিশিষ্ট আলেমদের ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল খুব দ্রুতই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে যাবেন।
একইসঙ্গে এক সাংগঠনিক বার্তায় আহ্বান জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই প্রতিনিধিদলের চূড়ান্ত বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে ইসলাম কিংবা কোনো মাদরাসার প্রতিনিধি যেন নতুন ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর আয়োজিত কোনো সভায় বা বৈঠকে অংশ না নেন।
জরুরি এই বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, মাওলানা ইয়াকুব উসমানি, মাওলানা আবু আম্মার আব্দুল্লাহ এবং মাওলানা নুরুল হকসহ হেফাজতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
Reporter Name 












