Dhaka ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে পবিত্র রমজান ভারতে গণগ্রেপ্তারের ঢেউ, সাবেক ৪ মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক ৩০০০ মক্কা-মদিনায় আক্রমণ হলে বাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক স্থানীয় নির্বাচনে শরিয়াহর পক্ষের শক্তিকে নির্বাচিত করুন: পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি আব্দুল মালেকের কিছু হলে তৌহিদি জনতা ঘরে বসে থাকবে না: জমিয়ত এমপি বুলুর হিন্দু প্রীতি বক্তব্য মুসলিম ভোটারদের অবমূল্যায়িত করেছে: মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি মুফতি মিজান, সম্পাদক মুফতি আবরার ঢাবিতে নিকাব নিয়ে কটূক্তি, শিক্ষিকার শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন সংগঠন ‘শত শত’ কোম্পানির অংশগ্রহণে কাবুলে ইমাম আবু হানিফা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

ভারতে গণগ্রেপ্তারের ঢেউ, সাবেক ৪ মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক ৩০০০

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ Time View

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে একের পর এক রাজনৈতিক নেতাকে আটক করছে পুলিশ। আটক নেতাদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। এ ছাড়া ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকেও আটক করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (১০ অক্টোবর) ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এ ধরপাকড় চালানো হয়। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তর অভিমুখে মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। মিছিল শুরুর আগেই বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।

আটক নেতাদের মধ্যে আরও রয়েছেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি-মার্কসবাদীর (সিপিআইএম) সাধারণ সম্পাদক এম.এ. বেবি, প্রবীণ নেত্রী বৃন্দা কারাত, রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাস এবং দলের অন্য নেতারা। তাঁদের মধ্যে এম.ভি. গোবিন্দন, পি.কে. শ্রীমতী ও পি. রাজীবের নামও রয়েছে।

রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় আটকের তথ্য জানান। ভিডিওতে তাঁকে পিনারাই বিজয়ন ও কেরালার সাবেক অর্থমন্ত্রী কে.এন. বালাগোপালের সঙ্গে দেখা যায়। ব্রিটাসের দাবি, তাঁদের একটি গাড়িতে করে শহরের বিভিন্ন সড়কে ঘোরানোর পর ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়।

অন্য এক ভিডিওতে ব্রিটাস বলেন, তাঁদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি। তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে মানুষের মৌলিক নাগরিক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, শনিবার এক বিবৃতিতে সিপিআইএমের পলিটব্যুরো বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়ের নিন্দা জানিয়েছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যন্তর মন্তর অভিমুখে মিছিলের আগেই সাধারণ সম্পাদক এম.এ. বেবি ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের আটক করা হয়েছে।

বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে আগে থেকেই ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ, ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধ এবং বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েনের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিক্ষোভকারীরা। এই দাবিকে কেন্দ্র করে বিরোধী নেতাদের আটকের ঘটনায় ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

About Author Information

hsnalmahmud

৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে পবিত্র রমজান

ভারতে গণগ্রেপ্তারের ঢেউ, সাবেক ৪ মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক ৩০০০

Update Time : ০৬:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে একের পর এক রাজনৈতিক নেতাকে আটক করছে পুলিশ। আটক নেতাদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। এ ছাড়া ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকেও আটক করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (১০ অক্টোবর) ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এ ধরপাকড় চালানো হয়। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তর অভিমুখে মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। মিছিল শুরুর আগেই বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।

আটক নেতাদের মধ্যে আরও রয়েছেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি-মার্কসবাদীর (সিপিআইএম) সাধারণ সম্পাদক এম.এ. বেবি, প্রবীণ নেত্রী বৃন্দা কারাত, রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাস এবং দলের অন্য নেতারা। তাঁদের মধ্যে এম.ভি. গোবিন্দন, পি.কে. শ্রীমতী ও পি. রাজীবের নামও রয়েছে।

রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় আটকের তথ্য জানান। ভিডিওতে তাঁকে পিনারাই বিজয়ন ও কেরালার সাবেক অর্থমন্ত্রী কে.এন. বালাগোপালের সঙ্গে দেখা যায়। ব্রিটাসের দাবি, তাঁদের একটি গাড়িতে করে শহরের বিভিন্ন সড়কে ঘোরানোর পর ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়।

অন্য এক ভিডিওতে ব্রিটাস বলেন, তাঁদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি। তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে মানুষের মৌলিক নাগরিক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, শনিবার এক বিবৃতিতে সিপিআইএমের পলিটব্যুরো বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়ের নিন্দা জানিয়েছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যন্তর মন্তর অভিমুখে মিছিলের আগেই সাধারণ সম্পাদক এম.এ. বেবি ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের আটক করা হয়েছে।

বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে আগে থেকেই ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ, ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধ এবং বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েনের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিক্ষোভকারীরা। এই দাবিকে কেন্দ্র করে বিরোধী নেতাদের আটকের ঘটনায় ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।