Dhaka ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
সরকার কার খপ্পরে পড়ে এ কাজটা করলো আমার বুঝে আসছে না: আব্বাসী ‘ধর্ম প্রতিমন্ত্রী’ নিয়োগ নিয়ে হেফাজতে ইসলামের আপত্তি, যা বললেন শামীম কায়সার ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন ‘বিদআত’, সুন্নাহ অনুসরণের আহ্বান কাবার ইমামের লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত বাতিল চায় হেফাজতে ইসলাম  মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েও কেন ভোট দিল ইসলামী আন্দোলন? গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আল-হাইআতুল উলয়ার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধর্মীয় শিক্ষক পদে কওমি আলেমদের নিয়োগে ইতিবাচক বার্তা শিক্ষমন্ত্রীর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কেউ, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শামীম কায়সারকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী দেওয়ার আগে ধর্মপ্রাণদের অনুভূতি বিবেচনার আহ্বান

সরকার কার খপ্পরে পড়ে এ কাজটা করলো আমার বুঝে আসছে না: আব্বাসী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:২৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ Time View

গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী বক্তা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। তিনি এই সিদ্ধান্তকে দেশের সিংহভাগ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির পরিপন্থী বলে দাবি করেন।

সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেন, ‘শামীম কায়সার লিংকন নামে এক সালাফি বা লামাজহাবি, গাইবান্ধার পার্লামেন্ট মেম্বারকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। এটি এ দেশের মানুষ ভালো চোখে দেখেনি।’

সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘সরকার কার খপ্পরে পড়ে এ কাজটা করলো আমার বুঝে আসছে না। যেখানে এ দেশের আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতসহ সকলে সরকারকে সমর্থন দিলো বলেই তারা ক্ষমতায় আসতে পেরেছে। সেখানে লামাজহাবি সম্প্রদায়কে মনোরঞ্জন করতে গিয়ে মূলধারার আলেমদের খেপিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী পদে এমন একজনকে বসানো হলো।’

তিনি দাবি করেন, সরকারের ভেতরে থাকা একটি চক্র সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য এই কাজ করেছে। লামাজহাবি গোষ্ঠীকে ‘সম্প্রদায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আব্বাসী বলেন, তারা নিজেদের হানাফি, শাফেয়ি বা মালেকি পরিচয়ের বাইরে আলাদা সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যা বিভ্রান্তিকর।

এ সময় সাবেক বিএনপি সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময় সালাফি ভাবধারার প্রসারের কারণে মূলধারার সুন্নি ও আলেমদের সঙ্গে দ্বন্দ তৈরি হয়েছিল। তার খেসারত দিতে হয়েছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত আলেম সমাজ ও সরকারের সম্পর্কের মাঝে ফাটল তৈরি করেছে। এই ছিদ্র অবিলম্বে বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে।’

About Author Information

hsnalmahmud

Popular Post

সরকার কার খপ্পরে পড়ে এ কাজটা করলো আমার বুঝে আসছে না: আব্বাসী

সরকার কার খপ্পরে পড়ে এ কাজটা করলো আমার বুঝে আসছে না: আব্বাসী

Update Time : ০৭:২৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী বক্তা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। তিনি এই সিদ্ধান্তকে দেশের সিংহভাগ আলেম-ওলামা ও সাধারণ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির পরিপন্থী বলে দাবি করেন।

সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেন, ‘শামীম কায়সার লিংকন নামে এক সালাফি বা লামাজহাবি, গাইবান্ধার পার্লামেন্ট মেম্বারকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। এটি এ দেশের মানুষ ভালো চোখে দেখেনি।’

সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘সরকার কার খপ্পরে পড়ে এ কাজটা করলো আমার বুঝে আসছে না। যেখানে এ দেশের আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতসহ সকলে সরকারকে সমর্থন দিলো বলেই তারা ক্ষমতায় আসতে পেরেছে। সেখানে লামাজহাবি সম্প্রদায়কে মনোরঞ্জন করতে গিয়ে মূলধারার আলেমদের খেপিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী পদে এমন একজনকে বসানো হলো।’

তিনি দাবি করেন, সরকারের ভেতরে থাকা একটি চক্র সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য এই কাজ করেছে। লামাজহাবি গোষ্ঠীকে ‘সম্প্রদায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আব্বাসী বলেন, তারা নিজেদের হানাফি, শাফেয়ি বা মালেকি পরিচয়ের বাইরে আলাদা সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যা বিভ্রান্তিকর।

এ সময় সাবেক বিএনপি সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময় সালাফি ভাবধারার প্রসারের কারণে মূলধারার সুন্নি ও আলেমদের সঙ্গে দ্বন্দ তৈরি হয়েছিল। তার খেসারত দিতে হয়েছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত আলেম সমাজ ও সরকারের সম্পর্কের মাঝে ফাটল তৈরি করেছে। এই ছিদ্র অবিলম্বে বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে।’