Dhaka ০৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
দাওয়াতি সফরে নিউইয়র্ক ও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শীর্ষ দুই ইসলামি নেতা মূর্তিপূজায় অংশগ্রহণকারী নেতা-নেত্রীদের ঈমান নবায়নের আহ্বান খেলাফত নেতার কওমি ধারার ৭ ইসলামি দলের নতুন জোট ঘোষণা মক্কা চুক্তির মূল দলিল প্রকাশ্যে, কী আছে এতে? রাষ্ট্রপতির বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি হেফাজতসহ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের ‘আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক’ পূজার নিরাপত্তা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: মুফতি আব্দুল মালেক সাভারের সেই মহিলা মাদরাসা থেকে নিখোঁজ ছাত্রী পল্লবী থেকে সুস্থ উদ্ধার সিটি নির্বাচন করব, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কাজ শুরু করব: প্রতিমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করে ইশরাক সৌদিতে নিহত মুফতি নাসরুল্লাহর তিন এতিম সন্তানকে ১০ লাখ টাকা দিল আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন

মূর্তিপূজায় অংশগ্রহণকারী নেতা-নেত্রীদের ঈমান নবায়নের আহ্বান খেলাফত নেতার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ Time View

দুর্গাপূজা উপলক্ষে মন্দিরে গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মূর্তিপূজায় অংশগ্রহণ, দুর্গাদেবির প্রশংসাকারী এবং শিরকী কাজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশকারী সকল মুসলিম রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে তওবা করে ঈমান নবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন।

তিনি বলেন, ইসলামের মৌলিক আকিদা হচ্ছে আল্লাহ তাআলা এক ও অদ্বিতীয়। ইবাদত ও উপাসনার উপযুক্ত একমাত্র আল্লাহ তাআলা। মূর্তিপূজা ইসলামে সুস্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ এবং শিরক, যা সবচেয়ে গুরুতর গুনাহ। কোনো মুসলমান জেনে-বুঝে মূর্তিপূজাকে ধর্মীয় উপাসনা মনে করা, সমর্থন করা কিংবা এর সঙ্গে উপাসনাগত একাত্মতা প্রকাশ করা হচ্ছে তার ঈমান ও আকিদা পরিপন্থী কাজ। এ ধরনের কাজ করলে ঈমান থাকেনা।

মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন আরো বলেন, দুর্গাপূজার মন্দিরে মূর্তিকে কেন্দ্র করে যে ধর্মীয় উপাসনা অনুষ্ঠিত হয়, তার সঙ্গে মুসলমানদের আকিদার মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, জানমালের নিরাপত্তা ও উপাসনালয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু নিরাপত্তা ও সৌজন্য প্রদর্শনের নামে কোন মুসলমান মূর্তিপূজার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ কিংবা তার উপাসনাগত বিশ্বাসের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করা কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচর রহমতিয়া জামে মসজিদে জুমার বয়ানে তিনি এই সমস্ত কথা বলেন।

মুফতি মহিউদ্দিন আরো বলেন, যারা দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে গিয়ে মূর্তির সামনে উপাসনামূলক সম্মান প্রদর্শন করেছেন কিংবা বক্তব্যের মাধ্যমে, দুর্গা দেবীর ক্ষমতার কথা বলেছেন বা মূর্তিপূজার ধর্মীয় বিশ্বাসকে সমর্থন করেছেন, তাদের উচিত নিজেদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড শরিয়তের আলোকে পর্যালোচনা করা। যদি কোনো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ঈমানের পরিপন্থী বিশ্বাস বা শিরকের সমর্থন প্রকাশ পেয়ে থাকে, তাহলে আন্তরিকভাবে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং যোগ্য আলেমদের পরামর্শে ঈমান নবায়নের জন্য কালেমা পাঠ করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা কিংবা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অজুহাতে মুসলমানদের ঈমান-আকিদার প্রশ্নে আপস করা উচিত নয়। সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সীমারেখা অক্ষুণ্ন রেখে। অন্য ধর্মীয় উপাসনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ না করেও অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাদের অধিকার রক্ষা করা সম্ভব।

About Author Information

hsnalmahmud

দাওয়াতি সফরে নিউইয়র্ক ও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শীর্ষ দুই ইসলামি নেতা

মূর্তিপূজায় অংশগ্রহণকারী নেতা-নেত্রীদের ঈমান নবায়নের আহ্বান খেলাফত নেতার

Update Time : ০৫:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজা উপলক্ষে মন্দিরে গিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মূর্তিপূজায় অংশগ্রহণ, দুর্গাদেবির প্রশংসাকারী এবং শিরকী কাজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশকারী সকল মুসলিম রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে তওবা করে ঈমান নবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন।

তিনি বলেন, ইসলামের মৌলিক আকিদা হচ্ছে আল্লাহ তাআলা এক ও অদ্বিতীয়। ইবাদত ও উপাসনার উপযুক্ত একমাত্র আল্লাহ তাআলা। মূর্তিপূজা ইসলামে সুস্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ এবং শিরক, যা সবচেয়ে গুরুতর গুনাহ। কোনো মুসলমান জেনে-বুঝে মূর্তিপূজাকে ধর্মীয় উপাসনা মনে করা, সমর্থন করা কিংবা এর সঙ্গে উপাসনাগত একাত্মতা প্রকাশ করা হচ্ছে তার ঈমান ও আকিদা পরিপন্থী কাজ। এ ধরনের কাজ করলে ঈমান থাকেনা।

মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন আরো বলেন, দুর্গাপূজার মন্দিরে মূর্তিকে কেন্দ্র করে যে ধর্মীয় উপাসনা অনুষ্ঠিত হয়, তার সঙ্গে মুসলমানদের আকিদার মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, জানমালের নিরাপত্তা ও উপাসনালয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু নিরাপত্তা ও সৌজন্য প্রদর্শনের নামে কোন মুসলমান মূর্তিপূজার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ কিংবা তার উপাসনাগত বিশ্বাসের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করা কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকার কামরাঙ্গীরচর রহমতিয়া জামে মসজিদে জুমার বয়ানে তিনি এই সমস্ত কথা বলেন।

মুফতি মহিউদ্দিন আরো বলেন, যারা দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে গিয়ে মূর্তির সামনে উপাসনামূলক সম্মান প্রদর্শন করেছেন কিংবা বক্তব্যের মাধ্যমে, দুর্গা দেবীর ক্ষমতার কথা বলেছেন বা মূর্তিপূজার ধর্মীয় বিশ্বাসকে সমর্থন করেছেন, তাদের উচিত নিজেদের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড শরিয়তের আলোকে পর্যালোচনা করা। যদি কোনো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ঈমানের পরিপন্থী বিশ্বাস বা শিরকের সমর্থন প্রকাশ পেয়ে থাকে, তাহলে আন্তরিকভাবে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং যোগ্য আলেমদের পরামর্শে ঈমান নবায়নের জন্য কালেমা পাঠ করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা কিংবা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অজুহাতে মুসলমানদের ঈমান-আকিদার প্রশ্নে আপস করা উচিত নয়। সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সীমারেখা অক্ষুণ্ন রেখে। অন্য ধর্মীয় উপাসনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ না করেও অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাদের অধিকার রক্ষা করা সম্ভব।