Dhaka ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
পূজার নিরাপত্তা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: মুফতি আব্দুল মালেক সাভারের সেই মহিলা মাদরাসা থেকে নিখোঁজ ছাত্রী পল্লবী থেকে সুস্থ উদ্ধার সিটি নির্বাচন করব, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কাজ শুরু করব: প্রতিমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করে ইশরাক সৌদিতে নিহত মুফতি নাসরুল্লাহর তিন এতিম সন্তানকে ১০ লাখ টাকা দিল আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন মক্কায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা ৭৫ ফিলিস্তিনির দাফন সাভারে মহিলা মাদরাসায় ‘পরিকল্পিত’ হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওমরাহযাত্রীর সন্ধান ও মুক্তি দাবি, নাসরুল্লাহ বদরকে জান্নাতুল বাকীতে দাফনের আহ্বান জমিয়তের আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্নতায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, সময় দিলেন দুই সপ্তাহ মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি, ভিডিও কলে খোঁজ নিলেন নাহিদ ইসলাম

পূজার নিরাপত্তা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: মুফতি আব্দুল মালেক

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ Time View

দেশে বসবাসরত অমুসলিমদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলেও উদারতার নামে কোনো মুসলমান পূজায় অংশ নিলে কিংবা তাকে সঠিক মনে করলে তার ঈমান থাকবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক।

সম্প্রতি জুমার বয়ানে তিনি বলেন, ইসলামের মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ এবং একমাত্র আল্লাহ তাআলার ইবাদত করা। আল্লাহ তাআলা চাইলে তাওহীদে বিশ্বাসীদের অন্যান্য গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন, কিন্তু শিরকের মতো মহাপাপ তিনি কখনো ক্ষমা করবেন না। এই শিরক থেকে মানবজাতিকে বিরত রেখে তাওহীদের ছায়াতলে আনতেই আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে সমস্ত নবী ও রাসূলকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।

অমুসলিমদের নাগরিক ও ধর্মীয় অধিকারের প্রসঙ্গে খতিব বলেন, দেশে অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের নিজ নিজ পরিসরে ধর্ম পালন করার অধিকার রয়েছে এবং এতে ইসলামের কোনো আপত্তি নেই। তারা যেন নিরাপদে তাদের পূজা বা উৎসব পালন করতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও জরুরি দায়িত্ব।

তবে আকিদাগত অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি সতর্ক করেন, কোনো মুসলমান যদি উদারতা বা নমনীয়তার নামে পূজায় শরিক হয় কিংবা পূজাকে সঠিক পথ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বা সমর্থন করে, তবে তার ঈমান থাকবে না। নিরাপত্তা দেওয়া এবং আকিদাগতভাবে শিরককে সমর্থন করা এক বিষয় নয়।

বয়ানে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ক্ষমার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে মুফতি আব্দুল মালেক বলেন, তায়েফের ময়দানে চরম নির্যাতন ও রক্তাক্ত হওয়ার পরও মহানবী (সা.) জালিমদের ধ্বংস চাননি। তিনি তাদের নিরাপত্তা দিয়েছিলেন এই আশায় যে, তারা ঈমান না আনলেও হয়তো তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একদিন এক আল্লাহর ইবাদত করবে এবং শিরক থেকে মুক্ত থাকবে। মুসলমানদেরও নিজ ধর্মের মূল আকিদা অক্ষুণ্ন রেখে সমাজে শৃঙ্খলা ও ইনসাফ বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

About Author Information

hsnalmahmud

পূজার নিরাপত্তা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: মুফতি আব্দুল মালেক

পূজার নিরাপত্তা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: মুফতি আব্দুল মালেক

Update Time : ১০:২৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

দেশে বসবাসরত অমুসলিমদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলেও উদারতার নামে কোনো মুসলমান পূজায় অংশ নিলে কিংবা তাকে সঠিক মনে করলে তার ঈমান থাকবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক।

সম্প্রতি জুমার বয়ানে তিনি বলেন, ইসলামের মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ এবং একমাত্র আল্লাহ তাআলার ইবাদত করা। আল্লাহ তাআলা চাইলে তাওহীদে বিশ্বাসীদের অন্যান্য গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন, কিন্তু শিরকের মতো মহাপাপ তিনি কখনো ক্ষমা করবেন না। এই শিরক থেকে মানবজাতিকে বিরত রেখে তাওহীদের ছায়াতলে আনতেই আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে সমস্ত নবী ও রাসূলকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।

অমুসলিমদের নাগরিক ও ধর্মীয় অধিকারের প্রসঙ্গে খতিব বলেন, দেশে অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের নিজ নিজ পরিসরে ধর্ম পালন করার অধিকার রয়েছে এবং এতে ইসলামের কোনো আপত্তি নেই। তারা যেন নিরাপদে তাদের পূজা বা উৎসব পালন করতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও জরুরি দায়িত্ব।

তবে আকিদাগত অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি সতর্ক করেন, কোনো মুসলমান যদি উদারতা বা নমনীয়তার নামে পূজায় শরিক হয় কিংবা পূজাকে সঠিক পথ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বা সমর্থন করে, তবে তার ঈমান থাকবে না। নিরাপত্তা দেওয়া এবং আকিদাগতভাবে শিরককে সমর্থন করা এক বিষয় নয়।

বয়ানে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ক্ষমার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে মুফতি আব্দুল মালেক বলেন, তায়েফের ময়দানে চরম নির্যাতন ও রক্তাক্ত হওয়ার পরও মহানবী (সা.) জালিমদের ধ্বংস চাননি। তিনি তাদের নিরাপত্তা দিয়েছিলেন এই আশায় যে, তারা ঈমান না আনলেও হয়তো তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একদিন এক আল্লাহর ইবাদত করবে এবং শিরক থেকে মুক্ত থাকবে। মুসলমানদেরও নিজ ধর্মের মূল আকিদা অক্ষুণ্ন রেখে সমাজে শৃঙ্খলা ও ইনসাফ বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।