Dhaka ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মক্কা চুক্তির মূল দলিল প্রকাশ্যে, কী আছে এতে? রাষ্ট্রপতির বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি হেফাজতসহ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের ‘আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক’ পূজার নিরাপত্তা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: মুফতি আব্দুল মালেক সাভারের সেই মহিলা মাদরাসা থেকে নিখোঁজ ছাত্রী পল্লবী থেকে সুস্থ উদ্ধার সিটি নির্বাচন করব, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কাজ শুরু করব: প্রতিমন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করে ইশরাক সৌদিতে নিহত মুফতি নাসরুল্লাহর তিন এতিম সন্তানকে ১০ লাখ টাকা দিল আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন মক্কায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা ৭৫ ফিলিস্তিনির দাফন সাভারে মহিলা মাদরাসায় ‘পরিকল্পিত’ হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ

‘আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক’

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ Time View

ভারতের আসাম রাজ্যে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে বিপুলসংখ্যক মুসলিম পরিবার বাস্তুচ্যুত হওয়া এবং একাধিক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম সুবহানী ও মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী আসামের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাটে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে এক হাজারের বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলিম। একই অভিযানে একাধিক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষকে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেওয়া কিংবা ধর্মীয় উপাসনালয়ের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। তারা বলেন, ভূমি বা স্থাপনার মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তার নিষ্পত্তি স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত আইনি প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত। কোনো জনগোষ্ঠী যেন ধর্মীয় কিংবা ভাষাগত পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে মসজিদের মতো ধর্মীয় উপাসনালয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতি ও অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

নেতৃদ্বয় বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা অপরিহার্য। প্রতিবেশী কোনো দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তার বিরূপ প্রভাব গোটা অঞ্চলের সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতার ওপর পড়তে পারে।

আমীর ও মহাসচিব ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর যথাযথ আইনি সুরক্ষা ও মানবিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা, মসজিদসহ ধর্মীয় স্থাপনার মর্যাদা রক্ষা এবং উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনার আহ্বান জানান। তারা বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানুষের মৌলিক মর্যাদা সর্বত্র সমানভাবে সুরক্ষিত হওয়া উচিত। ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের স্বার্থে আসামের ঘটনায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা রাখবে—এটাই প্রত্যাশিত।

About Author Information

hsnalmahmud

মক্কা চুক্তির মূল দলিল প্রকাশ্যে, কী আছে এতে?

‘আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক’

Update Time : ০৪:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের আসাম রাজ্যে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে বিপুলসংখ্যক মুসলিম পরিবার বাস্তুচ্যুত হওয়া এবং একাধিক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম সুবহানী ও মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইযহার।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী আসামের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাটে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে এক হাজারের বেশি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলিম। একই অভিযানে একাধিক মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষকে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেওয়া কিংবা ধর্মীয় উপাসনালয়ের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। তারা বলেন, ভূমি বা স্থাপনার মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তার নিষ্পত্তি স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত আইনি প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত। কোনো জনগোষ্ঠী যেন ধর্মীয় কিংবা ভাষাগত পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে মসজিদের মতো ধর্মীয় উপাসনালয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতি ও অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

নেতৃদ্বয় বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা অপরিহার্য। প্রতিবেশী কোনো দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তার বিরূপ প্রভাব গোটা অঞ্চলের সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতার ওপর পড়তে পারে।

আমীর ও মহাসচিব ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর যথাযথ আইনি সুরক্ষা ও মানবিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা, মসজিদসহ ধর্মীয় স্থাপনার মর্যাদা রক্ষা এবং উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনার আহ্বান জানান। তারা বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানুষের মৌলিক মর্যাদা সর্বত্র সমানভাবে সুরক্ষিত হওয়া উচিত। ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের স্বার্থে আসামের ঘটনায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা রাখবে—এটাই প্রত্যাশিত।