ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির কন্ঠে ফ্যাসিবাদী সুর বেমানান-মাঈনুদ্দীন ওয়াদুদ
গত ১৫ বছর আওয়ামীলীগ যে বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিলো। বিরোধী মতের মানুষদের ওপর জুলুমের ষ্টিম রোলার চালিয়েছিলো। ঠিক সে বিষয়গুলোই নতুন বন্দোবস্তের স্লোগানে ফেনা তোলা ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির কন্ঠে ইদানিং উচ্চারিত হচ্ছে উচ্চকন্ঠে।
কারন ও ইন্ধন জানা না গেলেও স্পষ্টতই বুঝা যায় যে, কারো না কারো ফায়দা হাসিল করার জন্যই একটি মজলুম শক্তিকে চাপ সৃষ্টি করে দেশে আরেকটা সংঘাত তৈরির পায়তারা চলছে।
একথা অনস্বীকার্য যে, দেশে অভ্যন্তরিণ দন্ধ উস্কে দিয়ে যারা ভালো থাকতে চায়, তারা বাস্তবে আরেকটা অশান্তি সৃষ্টির পথ তৈরি করছে। সময় থাকতে তাদের বারণ করা দরকার। সমাজ ও রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে যে শক্তি, এমন একটি স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে এতো সহজে বিনাশ করা যায় না। পনেরো বছরেও যা পারেনি ফ্যাসিবাদী শক্তি, তা আপনি পনেরো দিনে কিভাবে পারবেন?
ভাই ভাই মারামারি করা মানে যেমন পারিবারিক শক্তি দুর্বল করা, ঠিক তেমনি রাষ্ট্রের নাগরিকদের পারষ্পরিক দন্ধেও রাষ্ট্রীয় শক্তি বিনাস পায়। সুতরাং যৌক্তিক কোনো বিষয় থাকলে রাষ্ট্রীয় নিয়মে তার সুরাহা করুন। দন্ধ-সংঘাত করে নয়।
সবচেয়ে বড় কথা হলো অভ্যূথান কারো একক শক্তিতে হয়নি। ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হয়েছে। বিশেষ করে তাদের অংশগ্রহণ ছিলো উল্লেখ করার মতো। এটাই বাস্তবতা ও ইতিহাস, যা চাইলেও আপনি মুছতে পারবেন না। আপনাদের এই ফ্যাসিবাদী সুর তাদেরকে সাময়িক চাপে ফেলবে সর্বোচ্চ, এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। সুতরাং, এসব ফাপরবাজী বাদ দিয়ে সঠিক পন্থায় চলুন।
এখন দেশকে শক্তিশালী রুপে গঠন করে প্রতিষ্ঠা ও পরিচিতি পাওয়ার সময়, অর্জিত শক্তি হারানোর সময় নয়। আসুন, সবে মিলে ঐক্য করি, বিষম্যহীন দেশ গড়ি।
আইডিয়াল টাইমস 










