গাজায় পানি নেওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের হামলায় ৬ শিশুসহ ১০ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ভুল স্বীকার করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী।
রোববার গাজার মধ্যাঞ্চলে ওই হামলা হয়। সেখানকার জরুরি পরিষেবা কর্মকর্তারা নিহতের ওই সংখ্যা জানান। হামলায় নিহতদের দেহ নুসেইরাতের আল-আওদা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া, আরও ১৬ জন আহতকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সেখানকার চিকিৎসকরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বিবিসি-কে জানিয়েছেন, আল-নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের একটি পানির ট্যাংকারের পাশে খালি কনটেইনার নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন ফিলিস্তিনিদের অনেকে। সে সময় তাদের ওপর একটি ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এ হামলার ঘটনায় ‘প্রযুক্তিগত ভুল’ হওয়ার কথা স্বীকার করেছে। তারা বলেছে, ইসলামিক জিহাদের এক ‘সন্ত্রাসী’কে হামলার নিশানা করতে গিয়ে এই ভুল হয়েছে।
এই ভুলের কারণে ক্ষেপণাস্ত্র নিশানা থেকে কয়েকডজন মিটার দূরে গিয়ে পড়েছে। ঘটনাটি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাবাহিনী আইডিএফ বলেছে, তারা গাজার ওই এলাকায় হামলায় হতাহতের ঘটনার যে দাবি করা হয়েছে সে সম্পর্কে অবগত।
তবে ইসরায়েলি বাহিনী যতটা সম্ভব বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনা কম রাখার জন্য কাজ করে এবং যুদ্ধে জড়িত না থাকা সাধারণ মানুষদের যে কোনও ক্ষয়ক্ষতিতে দুঃখিত বলেও আইডিএফ দাবি করেছে।
গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধে এ পর্যন্ত ৫৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ভূখণ্ডটির প্রায় পুরো জনসংখ্যাই বাস্তুচ্যুত হয়েছে। চলছে খাবার, জ্বালানি, চিকিৎসাসরঞ্জামসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য জিনিসের সংকট।
Reporter Name 














