Dhaka ০২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
যৌন নিপীড়নের মামলা, ক্যারলকে ৫৬ লাখ ডলার জরিমানা দিলেন ট্রাম্প ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে মুফতি তাকি উসমানীর ফতোয়া, ব্যাখ্যা চাইল পাকিস্তান সরকার নববী মসজিদে প্রথমবার চালু হলো ডিজিটাল দারস জায়নবাদী শাসনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি’ — মোজতবা খামেনি শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ মাদরাসা শিক্ষার্থী নিখোঁজ, এলাকায় উদ্বেগ ২০২৮ শিক্ষাক্রমে আসছে চার নতুন বিষয় বাংলাদেশ প্রাইভেট মাদরাসা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন-এর ১ম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হিন্দুত্ববাদী উগ্র সংগঠন ইসকন নিষিদ্ধসহ ৬ দফা দাবিতে কুমিল্লায় হেফাজতের বিক্ষোভ মাদরাসাতুল মারওয়াহ’র হিফজ ছাত্রদের সবক সমাপনী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত

শিশুর আয়না-আইডিয়াল টাইমস

শিশুর আয়না-আইডিয়াল টাইমস
“বাচ্চারা কিছুই বোঝে না”—এ কথাটা যতটা প্রচলিত, ততটাই ভুল। শিশু মানে যেন একটুকরো কাঁচ—যেভাবে ছাঁচে ফেলা হয়, সেভাবেই গড়ে ওঠে। তাদের শেখার প্রথম মাধ্যম ভাষা নয়, আচরণ। আর এই আচরণের সবচেয়ে প্রভাবশালী শিক্ষক—বাবা ও মা।
আমরা অনেক সময় চাই শিশুটি ভদ্র হোক, দায়িত্বশীল হোক, ভালো-মন্দ বুঝুক। অথচ নিজেরাই যখন রাস্তায় ট্রাফিক আইন ভাঙি, রাগ করে চিৎকার করি বা মিথ্যে বলি—সেসবই শিশুর চোখে পড়ে। তারা বুঝতে না পারলেও অনুকরণ করে নিঃসন্দেহে।
একটি শিশু যখন দেখে তার বাবা কৃষিকাজ করে ক্লান্ত শরীরেও হাসছে, বা মা নিজের কাজ নিপুণভাবে করছে—সে শেখে পরিশ্রমের মূল্য, দায়িত্বের মাধুর্য। আবার যখন বাবা-মা পরস্পরকে সম্মান করে কথা বলেন, তখন সে বোঝে সম্পর্কের মর্যাদা।
গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুর সামাজিক আচরণ, মূল্যবোধ, এমনকি আত্মবিশ্বাস গঠনে বাবা-মার ভূমিকা সরাসরি ও গভীর। শিশুরা এমন এক জীবন্ত রেকর্ডার, যা আপনার অজান্তেই প্রতিটি আচরণ ধারণ করে।
তাই, “শিশুকে শেখাতে চাইলে আগে নিজেকে ঠিক করতে হবে”—এটি শুধু একটি উক্তি নয়, বরং একটি অভিভাবকসুলভ দায়িত্ব। ভালো মানুষ তৈরি করতে চাইলে আগে আমাদের ভালো মানুষ হতে হবে। কারণ শিশু শুধু কথা শুনে শেখে না, দেখে ও মেনে চলে—চুপিচুপি, নীরবে।
শেষকথা: আপনি যেমন হবেন, আপনার সন্তান একদিন তেমনই হওয়ার চেষ্টা করবে। তাকে আদর্শ উপহার দিন—নিজের মধ্য দিয়ে।
সংগৃহীত
Tag :
About Author Information

শিশুর আয়না-আইডিয়াল টাইমস

Update Time : ০৫:১৪:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
শিশুর আয়না-আইডিয়াল টাইমস
“বাচ্চারা কিছুই বোঝে না”—এ কথাটা যতটা প্রচলিত, ততটাই ভুল। শিশু মানে যেন একটুকরো কাঁচ—যেভাবে ছাঁচে ফেলা হয়, সেভাবেই গড়ে ওঠে। তাদের শেখার প্রথম মাধ্যম ভাষা নয়, আচরণ। আর এই আচরণের সবচেয়ে প্রভাবশালী শিক্ষক—বাবা ও মা।
আমরা অনেক সময় চাই শিশুটি ভদ্র হোক, দায়িত্বশীল হোক, ভালো-মন্দ বুঝুক। অথচ নিজেরাই যখন রাস্তায় ট্রাফিক আইন ভাঙি, রাগ করে চিৎকার করি বা মিথ্যে বলি—সেসবই শিশুর চোখে পড়ে। তারা বুঝতে না পারলেও অনুকরণ করে নিঃসন্দেহে।
একটি শিশু যখন দেখে তার বাবা কৃষিকাজ করে ক্লান্ত শরীরেও হাসছে, বা মা নিজের কাজ নিপুণভাবে করছে—সে শেখে পরিশ্রমের মূল্য, দায়িত্বের মাধুর্য। আবার যখন বাবা-মা পরস্পরকে সম্মান করে কথা বলেন, তখন সে বোঝে সম্পর্কের মর্যাদা।
গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুর সামাজিক আচরণ, মূল্যবোধ, এমনকি আত্মবিশ্বাস গঠনে বাবা-মার ভূমিকা সরাসরি ও গভীর। শিশুরা এমন এক জীবন্ত রেকর্ডার, যা আপনার অজান্তেই প্রতিটি আচরণ ধারণ করে।
তাই, “শিশুকে শেখাতে চাইলে আগে নিজেকে ঠিক করতে হবে”—এটি শুধু একটি উক্তি নয়, বরং একটি অভিভাবকসুলভ দায়িত্ব। ভালো মানুষ তৈরি করতে চাইলে আগে আমাদের ভালো মানুষ হতে হবে। কারণ শিশু শুধু কথা শুনে শেখে না, দেখে ও মেনে চলে—চুপিচুপি, নীরবে।
শেষকথা: আপনি যেমন হবেন, আপনার সন্তান একদিন তেমনই হওয়ার চেষ্টা করবে। তাকে আদর্শ উপহার দিন—নিজের মধ্য দিয়ে।
সংগৃহীত