Dhaka ১০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
হিন্দুত্ববাদী উগ্র সংগঠন ইসকন নিষিদ্ধসহ ৬ দফা দাবিতে কুমিল্লায় হেফাজতের বিক্ষোভ মাদরাসাতুল মারওয়াহ’র হিফজ ছাত্রদের সবক সমাপনী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠিত ঢাকায় জাসাকের সীরাতুন্নাবী সা. ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত কুমিল্লা মাদরাসায়ে এহসানিয়া দারুল উলূম শাসনগাছার স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়াত মহাসমাবেশ বাস্তবায়নে প্রস্তুতি সভা ফ্যাসিবাদ বিরোধী সর্বদলীয় ঐক্যের যাত্রা ভিপি নুরের ওপর বর্বরোচিত হামলায় নেজামে ইসলাম পার্টির তীব্র নিন্দা মাদরাসাতুল মারওয়াহ’র ৭ম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত কুমিল্লা আইডিয়াল মাদরাসায় কৃৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বাহুবলে শেওড়াতলী নূরানী মাদরাসায় ২৯ হাজার টাকা পুরস্কার ও সম্মানানা প্রদান

ফিলিস্তিন মুক্তির জন্য দেইফের আত্মত্যাগ চূড়ান্ত অধ্যায়: আবু উবাইদা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ৩০ Time View

ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা শহীদ কমান্ডার মোহাম্মাদ দেইফের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার বীরত্বগাথা স্মরণ করে বলেছেন, দেইফ ও তার সহযোদ্ধারা তাদের রক্ত দিয়ে ফিলিস্তিন মুক্তির শেষ অধ্যায় লিখে গেছেন, দখলদাররা এই ভূমিতে আর কখনো শান্তিতে বাস করতে পারবে না।

রোববার (১৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামের দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

আবু উবাইদা বলেন, মোহাম্মাদ দেইফের রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার যুদ্ধাপরাধী ও লুটেরাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবে। তার ভাইয়েরা, সন্তানেরা ও বিশ্বজুড়ে অনুসারীরা তার পথেই এগোচ্ছে এবং দখলদার শক্তির ওপর কৌশলগত আঘাত হানছে।

তিনি বলেন, মোহাম্মদ দেইফ তার সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আল-আকসা বন্যা (Al-Aqsa Flood) অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে শত্রুকে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর আঘাত হেনেছেন। এই আঘাত দখলদার শক্তির প্রতিরোধ ক্ষমতাকে চিরতরে ভেঙে দেয়, সমগ্র মুসলিম জাতিকে ফিলিস্তিন ইস্যুর পেছনে একত্রিত করে এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নকে আবারও সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরিয়ে আনে।

তিনি আরও বলেন, দশকের পর দশক ধরে জিহাদ, অনুসরণ, আত্মত্যাগ, নেতৃত্ব, মেধা ও সবশেষে সে লড়াই শাহাদাতে গিয়ে পৌঁছেছে। আমাদের মহান কমান্ডার এখন শহীদদের সারিতে। তাঁর ও অন্যান্য নেতাদের রক্ত আজ আমাদের জাতির সন্তানদের রক্তের সঙ্গে মিশে গেছে, যারা আল-আকসা ও ফিলিস্তিনের জন্য তাদের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছে।

চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি আল-কাসসাম ব্রিগেড ঘোষণা করে যে, তাদের চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ দেইফ শহীদ হয়েছেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারও শহীদ হন। কাসসাম ব্রিগেড জানায়, তারা কেউ কেউ শহীদ হন কমান্ড সেন্টারে, কেউ সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর মুখোমুখি হয়ে, আবার কেউ শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান পরিদর্শনের সময়।

সূত্র: আল-মায়াদিন

Tag :
About Author Information

Popular Post

হিন্দুত্ববাদী উগ্র সংগঠন ইসকন নিষিদ্ধসহ ৬ দফা দাবিতে কুমিল্লায় হেফাজতের বিক্ষোভ

ফিলিস্তিন মুক্তির জন্য দেইফের আত্মত্যাগ চূড়ান্ত অধ্যায়: আবু উবাইদা

Update Time : ০১:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা শহীদ কমান্ডার মোহাম্মাদ দেইফের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার বীরত্বগাথা স্মরণ করে বলেছেন, দেইফ ও তার সহযোদ্ধারা তাদের রক্ত দিয়ে ফিলিস্তিন মুক্তির শেষ অধ্যায় লিখে গেছেন, দখলদাররা এই ভূমিতে আর কখনো শান্তিতে বাস করতে পারবে না।

রোববার (১৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামের দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

আবু উবাইদা বলেন, মোহাম্মাদ দেইফের রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার যুদ্ধাপরাধী ও লুটেরাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবে। তার ভাইয়েরা, সন্তানেরা ও বিশ্বজুড়ে অনুসারীরা তার পথেই এগোচ্ছে এবং দখলদার শক্তির ওপর কৌশলগত আঘাত হানছে।

তিনি বলেন, মোহাম্মদ দেইফ তার সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আল-আকসা বন্যা (Al-Aqsa Flood) অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে শত্রুকে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর আঘাত হেনেছেন। এই আঘাত দখলদার শক্তির প্রতিরোধ ক্ষমতাকে চিরতরে ভেঙে দেয়, সমগ্র মুসলিম জাতিকে ফিলিস্তিন ইস্যুর পেছনে একত্রিত করে এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নকে আবারও সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরিয়ে আনে।

তিনি আরও বলেন, দশকের পর দশক ধরে জিহাদ, অনুসরণ, আত্মত্যাগ, নেতৃত্ব, মেধা ও সবশেষে সে লড়াই শাহাদাতে গিয়ে পৌঁছেছে। আমাদের মহান কমান্ডার এখন শহীদদের সারিতে। তাঁর ও অন্যান্য নেতাদের রক্ত আজ আমাদের জাতির সন্তানদের রক্তের সঙ্গে মিশে গেছে, যারা আল-আকসা ও ফিলিস্তিনের জন্য তাদের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছে।

চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি আল-কাসসাম ব্রিগেড ঘোষণা করে যে, তাদের চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ দেইফ শহীদ হয়েছেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারও শহীদ হন। কাসসাম ব্রিগেড জানায়, তারা কেউ কেউ শহীদ হন কমান্ড সেন্টারে, কেউ সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর মুখোমুখি হয়ে, আবার কেউ শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান পরিদর্শনের সময়।

সূত্র: আল-মায়াদিন