Dhaka ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
জামাই-শাশুড়িকে নিয়ে ‍মিথ্যা ভিডিও ছড়ানোয় জড়িতদের শাস্তি চায় হাইয়াতুল উলয়া কুমিল্লার শীর্ষ আলেম আল্লামা নুরুল হকের জানাযায় লাখো মানুষের ঢল ডেঙ্গু প্রতিরোধে জুমার খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্য দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আরো ৩০৫ জন সহকারী নেগরান ও মুমতাহিন নিয়োগ দেবে আল-হাইআতুল উলয়া সৌদিতে নিহতদের ক্ষতিপূরণ ও লাশ আনতে কূটনৈতিক পদক্ষেপ চায় হেফাজত ভারতে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ায় মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার বিশ্ব ইজতেমার সুশৃঙ্খল আয়োজন ও বিচার দাবিতে ওলামা মাশায়েখের ৫ দাবি ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে পবিত্র রমজান ভারতে গণগ্রেপ্তারের ঢেউ, সাবেক ৪ মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক ৩০০০ মক্কা-মদিনায় আক্রমণ হলে বাহিনী পাঠাতে প্রস্তুত ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ফিলিস্তিন মুক্তির জন্য দেইফের আত্মত্যাগ চূড়ান্ত অধ্যায়: আবু উবাইদা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ৪৯ Time View

ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা শহীদ কমান্ডার মোহাম্মাদ দেইফের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার বীরত্বগাথা স্মরণ করে বলেছেন, দেইফ ও তার সহযোদ্ধারা তাদের রক্ত দিয়ে ফিলিস্তিন মুক্তির শেষ অধ্যায় লিখে গেছেন, দখলদাররা এই ভূমিতে আর কখনো শান্তিতে বাস করতে পারবে না।

রোববার (১৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামের দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

আবু উবাইদা বলেন, মোহাম্মাদ দেইফের রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার যুদ্ধাপরাধী ও লুটেরাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবে। তার ভাইয়েরা, সন্তানেরা ও বিশ্বজুড়ে অনুসারীরা তার পথেই এগোচ্ছে এবং দখলদার শক্তির ওপর কৌশলগত আঘাত হানছে।

তিনি বলেন, মোহাম্মদ দেইফ তার সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আল-আকসা বন্যা (Al-Aqsa Flood) অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে শত্রুকে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর আঘাত হেনেছেন। এই আঘাত দখলদার শক্তির প্রতিরোধ ক্ষমতাকে চিরতরে ভেঙে দেয়, সমগ্র মুসলিম জাতিকে ফিলিস্তিন ইস্যুর পেছনে একত্রিত করে এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নকে আবারও সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরিয়ে আনে।

তিনি আরও বলেন, দশকের পর দশক ধরে জিহাদ, অনুসরণ, আত্মত্যাগ, নেতৃত্ব, মেধা ও সবশেষে সে লড়াই শাহাদাতে গিয়ে পৌঁছেছে। আমাদের মহান কমান্ডার এখন শহীদদের সারিতে। তাঁর ও অন্যান্য নেতাদের রক্ত আজ আমাদের জাতির সন্তানদের রক্তের সঙ্গে মিশে গেছে, যারা আল-আকসা ও ফিলিস্তিনের জন্য তাদের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছে।

চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি আল-কাসসাম ব্রিগেড ঘোষণা করে যে, তাদের চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ দেইফ শহীদ হয়েছেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারও শহীদ হন। কাসসাম ব্রিগেড জানায়, তারা কেউ কেউ শহীদ হন কমান্ড সেন্টারে, কেউ সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর মুখোমুখি হয়ে, আবার কেউ শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান পরিদর্শনের সময়।

সূত্র: আল-মায়াদিন

Tag :
About Author Information

জামাই-শাশুড়িকে নিয়ে ‍মিথ্যা ভিডিও ছড়ানোয় জড়িতদের শাস্তি চায় হাইয়াতুল উলয়া

ফিলিস্তিন মুক্তির জন্য দেইফের আত্মত্যাগ চূড়ান্ত অধ্যায়: আবু উবাইদা

Update Time : ০১:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা শহীদ কমান্ডার মোহাম্মাদ দেইফের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার বীরত্বগাথা স্মরণ করে বলেছেন, দেইফ ও তার সহযোদ্ধারা তাদের রক্ত দিয়ে ফিলিস্তিন মুক্তির শেষ অধ্যায় লিখে গেছেন, দখলদাররা এই ভূমিতে আর কখনো শান্তিতে বাস করতে পারবে না।

রোববার (১৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামের দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

আবু উবাইদা বলেন, মোহাম্মাদ দেইফের রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার যুদ্ধাপরাধী ও লুটেরাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবে। তার ভাইয়েরা, সন্তানেরা ও বিশ্বজুড়ে অনুসারীরা তার পথেই এগোচ্ছে এবং দখলদার শক্তির ওপর কৌশলগত আঘাত হানছে।

তিনি বলেন, মোহাম্মদ দেইফ তার সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আল-আকসা বন্যা (Al-Aqsa Flood) অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে শত্রুকে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর আঘাত হেনেছেন। এই আঘাত দখলদার শক্তির প্রতিরোধ ক্ষমতাকে চিরতরে ভেঙে দেয়, সমগ্র মুসলিম জাতিকে ফিলিস্তিন ইস্যুর পেছনে একত্রিত করে এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নকে আবারও সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরিয়ে আনে।

তিনি আরও বলেন, দশকের পর দশক ধরে জিহাদ, অনুসরণ, আত্মত্যাগ, নেতৃত্ব, মেধা ও সবশেষে সে লড়াই শাহাদাতে গিয়ে পৌঁছেছে। আমাদের মহান কমান্ডার এখন শহীদদের সারিতে। তাঁর ও অন্যান্য নেতাদের রক্ত আজ আমাদের জাতির সন্তানদের রক্তের সঙ্গে মিশে গেছে, যারা আল-আকসা ও ফিলিস্তিনের জন্য তাদের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছে।

চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি আল-কাসসাম ব্রিগেড ঘোষণা করে যে, তাদের চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ দেইফ শহীদ হয়েছেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারও শহীদ হন। কাসসাম ব্রিগেড জানায়, তারা কেউ কেউ শহীদ হন কমান্ড সেন্টারে, কেউ সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর মুখোমুখি হয়ে, আবার কেউ শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান পরিদর্শনের সময়।

সূত্র: আল-মায়াদিন