Dhaka ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ঢাকার এমপি ভবনে মিলল সেই এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ বিশ্বজয়ী হাফেজদের দেওয়া সেই বিতর্কিত বই ফেরত নিলো ধর্মমন্ত্রণালয় কওমি মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ, ছাত্র সুরক্ষা কমিটি কার্যকরের নির্দেশ হাইআতুল উলয়ার সরকারি চাকরি পেয়েই স্বামীকে তালাক ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৫.১ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন সব দফা বিলুপ্ত করে এক দফা ঘোষণা হতে পারে: জামায়াত আমির হাফেজদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সমকামী লেখকের বই: বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, তদন্ত দাবি ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হামদ-নাত ও কাওয়ালি মাহফিল অনুষ্ঠিত কুরআনকে সরাসরি সংবিধান হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী ইসলামী বইমেলায় প্রথমবারের মতো যুক্ত হলো ‘শাপলা কর্নার’

সরকারি চাকরি পেয়েই স্বামীকে তালাক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ Time View

চাঁদপুরের শাহরাস্তির উনকিলা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী সাইফুল ইসলাম খোকনকে সরকারি চাকরি পাওয়ার পর তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদাউসের বিরুদ্ধে। প্রবাসজীবনের দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত অর্থ স্ত্রীর পেছনে ব্যয় করার পর এমন পরিণতিতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ওই প্রবাসী। প্রতিকার চেয়ে তিনি চাঁদপুর আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে পারিবারিকভাবে মালয়েশিয়া প্রবাসী সাইফুল ইসলাম খোকনের সঙ্গে জান্নাতুল ফেরদাউসের বিয়ে হয়। বিয়ের পরও জীবিকার তাগিদে সাইফুল মালয়েশিয়ায় ফিরে যান। প্রবাসে থেকেই স্ত্রীর উচ্চশিক্ষার আবদারে তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি কলেজে ভর্তি করান তিনি। নতুনভাষা শিখুন

পরবর্তীতে সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় স্ত্রীকে ঢাকায় এনে দীর্ঘ প্রায় চার বছর কোচিং করান সাইফুল। এ সময় যাবতীয় খরচ তিনিই বহন করেন। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও প্রচেষ্টার পর চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে অফিস সহকারী পদে নিয়োগ পান জান্নাতুল ফেরদাউস।

অভিযোগে বলা হয়, চাকরি পাওয়ার পর থেকেই সাইফুলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেন জান্নাতুল। সন্দেহ হওয়ায় গত ১ জুলাই কাউকে না জানিয়ে দেশে ফেরেন সাইফুল এবং সরাসরি স্ত্রীর কর্মস্থলে হাজির হন। সেখানে দেখা হলেও স্বামীকে অপেক্ষায় রেখে চলে যান স্ত্রী। পরে গ্রামের বাড়িতে ফিরে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে বিষয়টি জানালে তারা সমাধানের আশ্বাস দেন। তবে এর কয়েক দিন পরই সাইফুলের বাড়িতে স্ত্রীর পাঠানো তালাকের নোটিশ পৌঁছায়।

ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘স্ত্রীর সব আবদার মেটাতে গিয়ে প্রবাসের গচ্ছিত সব অর্থ ও উপার্জনের সিংহভাগ তার পেছনে ব্যয় করেছি। আজ আমি নিঃস্ব।’

এ বিষয়ে জান্নাতুল ফেরদাউসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাই ফয়সাল আহমেদ দাবি করেন, ‘বিদেশে থাকা অবস্থায় সাইফুল আমার বোনের খোঁজখবর রাখতেন না- এমন অভিযোগেই জান্নাত তাকে তালাক দিয়েছে।’ তবে বোনের লেখাপড়া, কোচিং ও ঢাকায় বাসাভাড়াসহ যাবতীয় খরচ সাইফুলের টাকায় হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে আইনগত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী সাইফুল ইসলাম।

About Author Information

hsnalmahmud

Popular Post

ঢাকার এমপি ভবনে মিলল সেই এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ

সরকারি চাকরি পেয়েই স্বামীকে তালাক

Update Time : ০৯:২১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদপুরের শাহরাস্তির উনকিলা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী সাইফুল ইসলাম খোকনকে সরকারি চাকরি পাওয়ার পর তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদাউসের বিরুদ্ধে। প্রবাসজীবনের দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত অর্থ স্ত্রীর পেছনে ব্যয় করার পর এমন পরিণতিতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন ওই প্রবাসী। প্রতিকার চেয়ে তিনি চাঁদপুর আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে পারিবারিকভাবে মালয়েশিয়া প্রবাসী সাইফুল ইসলাম খোকনের সঙ্গে জান্নাতুল ফেরদাউসের বিয়ে হয়। বিয়ের পরও জীবিকার তাগিদে সাইফুল মালয়েশিয়ায় ফিরে যান। প্রবাসে থেকেই স্ত্রীর উচ্চশিক্ষার আবদারে তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি কলেজে ভর্তি করান তিনি। নতুনভাষা শিখুন

পরবর্তীতে সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় স্ত্রীকে ঢাকায় এনে দীর্ঘ প্রায় চার বছর কোচিং করান সাইফুল। এ সময় যাবতীয় খরচ তিনিই বহন করেন। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও প্রচেষ্টার পর চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে অফিস সহকারী পদে নিয়োগ পান জান্নাতুল ফেরদাউস।

অভিযোগে বলা হয়, চাকরি পাওয়ার পর থেকেই সাইফুলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেন জান্নাতুল। সন্দেহ হওয়ায় গত ১ জুলাই কাউকে না জানিয়ে দেশে ফেরেন সাইফুল এবং সরাসরি স্ত্রীর কর্মস্থলে হাজির হন। সেখানে দেখা হলেও স্বামীকে অপেক্ষায় রেখে চলে যান স্ত্রী। পরে গ্রামের বাড়িতে ফিরে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে বিষয়টি জানালে তারা সমাধানের আশ্বাস দেন। তবে এর কয়েক দিন পরই সাইফুলের বাড়িতে স্ত্রীর পাঠানো তালাকের নোটিশ পৌঁছায়।

ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘স্ত্রীর সব আবদার মেটাতে গিয়ে প্রবাসের গচ্ছিত সব অর্থ ও উপার্জনের সিংহভাগ তার পেছনে ব্যয় করেছি। আজ আমি নিঃস্ব।’

এ বিষয়ে জান্নাতুল ফেরদাউসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাই ফয়সাল আহমেদ দাবি করেন, ‘বিদেশে থাকা অবস্থায় সাইফুল আমার বোনের খোঁজখবর রাখতেন না- এমন অভিযোগেই জান্নাত তাকে তালাক দিয়েছে।’ তবে বোনের লেখাপড়া, কোচিং ও ঢাকায় বাসাভাড়াসহ যাবতীয় খরচ সাইফুলের টাকায় হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে আইনগত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী সাইফুল ইসলাম।